
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)।
সোমবার সকাল ৯টায় শেরেবাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে সাবেক প্রেসিডেন্টের প্রতি এ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়ার গাবতলীতে জন্মগ্রহণ করেন জিয়াউর রহমান। স্বাধীনতার পর ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তিনি বিএনপি গঠন করেন।
১৯৮১ সালে এক ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানে জিয়ার মৃত্যুর পর বিএনপির হাল ধরেন তার স্ত্রী খালেদা জিয়া। গত ৩০ ডিসেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসনের মৃত্যু হলে তাকে স্বামী জিয়াউর রহমানের পাশে সমাহিত করা হয়।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ইউট্যাবের মহাসচিব অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান বলেন, “আজ আমরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করছি। তিনি বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তোলেন এবং আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
“অত্যন্ত স্বল্প সময়ে তিনি সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেন। আইন সবার জন্য—এই নীতিকে সামনে রেখে তিনি দেশ পরিচালনা করেন।”
অর্থনীতিতে জিয়াউর রহমানের অবদান তুলে ধরতে গিয়ে অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান বলেন, “তার হাত ধরেই বাংলাদেশে প্রথম শ্রম রপ্তানি শুরু হয়, গার্মেন্টস শিল্পের সূচনা হয়।
“এমন কোনো ক্ষেত্র নেই, যেখানে এত অল্প সময়ে বাংলাদেশের উন্নয়নে তিনি অবদান রাখেননি।”
তিনি বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যদি জন্মগ্রহণ না করতেন, তাহলে আজ বাংলাদেশের জন্ম এত সহজে হতো না। সশস্ত্র যুদ্ধে তিনি সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং বীর উত্তম খেতাব লাভ করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি বাংলাদেশকে একটি উন্নত অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং তার শাসনামলেই দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছিল।
“এরপর আর কোনো সময় আমরা সেইভাবে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারিনি। তিনি ছিলেন একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক। কোনো দেশের কাছে মাথা নত করেননি। তার সেই ব্যক্তিত্ব ও দেশপ্রেম তিনি শেষ পর্যন্ত নিজের জীবন দিয়ে প্রমাণ করে গেছেন—‘সবার আগে দেশ’।”
এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—ইউট্যাব চেয়ারম্যান এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, অধ্যাপক কামরুল আহসান, অধ্যাপক আব্দুর রশীদ, অধ্যাপক মাসুমা হাবিব, অধ্যাপক শামসুল আলম সেলিম, অধ্যাপক নুরুল ইসলাম, অধ্যাপক ছবিরুল ইসলাম হাওলাদার, অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম, অধ্যাপক মতিনুর রহমান।

