ঢাকামঙ্গলবার , ১৯ মে ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উৎসব
  5. ঐতিহ্য
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চাকরি
  11. জাতীয়
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. পরিবেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঈদের আগে পশ্চিমবঙ্গে গরু জবাইয়ে কড়াকড়িতে হিন্দু খামারিদের ক্ষোভ

বার্তা ডেস্ক।। দ্য স্টার নিউজ
মে ১৯, ২০২৬ ৫:৩৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সংবাদটি শেয়ার করুন....

কোরবানির ঈদের আগে সাত দশকের পুরোনো পশু জবাই আইন কঠোরভাবে কার্যকর করতে গিয়ে অপ্রত্যাশিত প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের নবনির্বাচিত বিজেপি সরকার।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ফেডারেল লিখেছে, বিশেষ করে হিন্দু খামারি ও গরু ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে, কারণ তাদের দাবি, এই সিদ্ধান্তে গ্রামীণ প্রাণিসম্পদ অর্থনীতি বিপর্যয়ের মুখে হয়ে পড়েছে, যার ওপর নির্ভরশীল হাজারো মানুষের জীবিকা।

গত সপ্তাহে শুভেন্দু অধিকারী সরকার ‘পশ্চিমবঙ্গ পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫০’ কঠোরভাবে কার্যকর করার নির্দেশ জারি করে।

ওই আইনে বলা হয়েছে, গরু জবাইয়ের আগে স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারি পশু চিকিৎসকের যৌথভাবে দেওয়া ‘জবাই উপযোগী’ সনদ নেওয়া বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি গরু ও মহিষ পরিবহন এবং প্রকাশ্যে জবাইয়ের ওপর বিধিনিষেধও জোরদার করা হয়েছে।

পশুর হাটে ধস

ঈদের মাত্র সপ্তাহ তিনেক আগে নেওয়া এই পদক্ষেপের ফলে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ ও বীরভূমের মত জেলার ক্ষুদ্র খামারিদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সমগ্র বাংলাদেশ বিশ্ব ক্রিকেট খেলা বাণিজ্য হ্যালো গ্লিটজ লাইফস্টাইল টেক সব খবর

প্রতিবেশী
ঈদের আগে পশ্চিমবঙ্গে গরু জবাইয়ে কড়াকড়িতে হিন্দু খামারিদের ক্ষোভ
“এই কঠোর নিয়ম প্রয়োগের ফলে নিম্নআয়ের সেই গ্রামীণ হিন্দু সম্প্রদায়ই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যাদের বিজেপি দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিকভাবে নিজেদের পক্ষে টানার চেষ্টা করছে।”

ঈদের আগে পশ্চিমবঙ্গে গরু জবাইয়ে কড়াকড়িতে হিন্দু খামারিদের ক্ষোভ
ছবি: শোয়াইব দানিয়াল/স্ক্রল ডট ইন
নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 19 May 2026, 10:41 PM

20
Shares
facebook sharing buttontwitter sharing buttonwhatsapp sharing buttonsharethis sharing button

কোরবানির ঈদের আগে সাত দশকের পুরোনো পশু জবাই আইন কঠোরভাবে কার্যকর করতে গিয়ে অপ্রত্যাশিত প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের নবনির্বাচিত বিজেপি সরকার।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ফেডারেল লিখেছে, বিশেষ করে হিন্দু খামারি ও গরু ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে, কারণ তাদের দাবি, এই সিদ্ধান্তে গ্রামীণ প্রাণিসম্পদ অর্থনীতি বিপর্যয়ের মুখে হয়ে পড়েছে, যার ওপর নির্ভরশীল হাজারো মানুষের জীবিকা।

গত সপ্তাহে শুভেন্দু অধিকারী সরকার ‘পশ্চিমবঙ্গ পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫০’ কঠোরভাবে কার্যকর করার নির্দেশ জারি করে।

ওই আইনে বলা হয়েছে, গরু জবাইয়ের আগে স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারি পশু চিকিৎসকের যৌথভাবে দেওয়া ‘জবাই উপযোগী’ সনদ নেওয়া বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি গরু ও মহিষ পরিবহন এবং প্রকাশ্যে জবাইয়ের ওপর বিধিনিষেধও জোরদার করা হয়েছে।

পশুর হাটে ধস

ঈদের মাত্র সপ্তাহ তিনেক আগে নেওয়া এই পদক্ষেপের ফলে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ ও বীরভূমের মত জেলার ক্ষুদ্র খামারিদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

এসব এলাকায় বহু খামারি প্রতিবছর ঈদের মৌসুমে বয়স্ক বা দুধ দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া গরু বিক্রি করে সেই টাকায় নতুন গবাদিপশু কেনেন।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় এলাকার বামনগাছির খামারি শশাঙ্ক মণ্ডল বলেন, “গবাদি পশুর অর্থনীতি সম্পর্কে সরকারের কোনো ধারণাই নেই। থাকলে ১৯৫০ সালের এই আইন কার্যকর করার আগে অন্তত তারা আমাদের সময় দিত।”

তিনি বলেন, “বয়স ও আকারভেদে প্রতিটি পশুর পেছনে আমাদের প্রতিদিন ২০০ থেকে ৩০০ রুপি খরচ হয়। একটি গরু ১৪ বছর পর্যন্ত বাঁচেই না, অথচ সরকার বলছে পশু বিক্রির ন্যূনতম বয়স ১৪ বছর হতে হবে।

“এর আগেই যেসব গরু দুধ দেওয়া বন্ধ করে দেয়, সেগুলো নিয়ে আমরা কী করব? প্রতি বছর ঈদের সময় আমরা বয়স্ক গরু বিক্রি করি এবং সেই টাকার একটি অংশ দিয়ে নতুন গরু কিনি।”

আইন অনুযায়ী, কেবল তখনই একটি গবাদি পশু জবাই করা যাবে, যখন কর্তৃপক্ষ সনদ দেবে যে পশুটির বয়স ১৪ বছরের বেশি এবং সেটি কাজ বা প্রজননের অনুপযুক্ত, অথবা আঘাত, বিকলাঙ্গতা বা দুরারোগ্য ব্যাধির কারণে স্থায়ীভাবে অক্ষম।

লোকসানের শঙ্কায় খামারিরা

খামারিদের বরাত দিয়ে দ্য ফেডারেল লিখেছে, আইন কঠোরভাবে কার্যকর হওয়ায় মৌসুমি গরুর বাজার কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা আইনি জটিলতা এবং উগ্রবাদী গোষ্ঠীর তৎপরতার আশঙ্কায় পিছিয়ে যাচ্ছেন।

ভাঙড়ের বামুনিয়া গ্রামের খামারি সুরজিৎ ঘোষ জানান, তার পরিবার দুই দশকের বেশি সময় ধরে এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।

দ্য ফেডারেলকে তিনি বলেন, “এই ব্যবসার জন্য আমরা প্রায় ১৫ লাখ রুপি ঋণ নিয়েছি। যেসব গরু দুধ দেওয়া বন্ধ করে দেয়, সেগুলোকে ছয়-সাত মাস ভালোভাবে খাইয়ে ঈদের হাটের জন্য প্রস্তুত করা হয়। বিক্রির পর আমরা ঋণ শোধ করি। এখন ভয়ে কেউ গরু কিনতে আসছে না। সরকারের উচিত আমাদের জন্য বিকল্প জীবিকার ব্যবস্থা করা।”

একই গ্রামের আরেক খামারি সঞ্জিত ঘোষ বলেন, ঈদের আগে বিক্রির জন্য তার ২০টির মত গরু প্রস্তুত ছিল। কিন্তু ক্রেতারা ভয়ে পিছিয়ে যাওয়ায় ছয় সদস্যের পরিবার নিয়ে তিনি বিপাকে পড়েছেন।

তিনি বলেন, “যারা অগ্রিম টাকা দিয়েছিলেন, তারা এখন টাকা ফেরত চাইছেন। ধান কেনার মত এ বছর সরকারের উচিত ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে খামারিদের কাছ থেকে এসব পশু কিনে নেওয়া।”

বাঙালি বিভিন্ন অনগ্রসর শ্রেণির মধ্যে ‘ঘোষ’ পদবি ঐতিহ্যগতভাবে গোয়ালা ও সদগোপ সম্প্রদায়ের সঙ্গে যুক্ত, যাদের জীবিকা দুগ্ধ খামার ও গবাদিপশু পালনের ওপর নির্ভরশীল। সরকারের সিদ্ধান্তে এরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কারণ গরু ব্যবসা তাদের গ্রামীণ আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বয়স, আকার ও শারীরিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে ঈদের বাজারের জন্য প্রস্তুত করা প্রতিটি গরু ২ লাখ থেকে ৫ লাখ রুপিতে বিক্রি হতে পারে।

সরকারের কড়াকড়ির নিন্দায় বিরোধীরা

বিরোধী দলের নেতারা বলেছেন, বিজেপি সরকারের ‘গোরক্ষা’ নীতি বাংলার কৃষিভিত্তিক বাস্তবতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

ভাঙড়ের ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের (আইএসএফ) বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী বলেন, “শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপি সরকার মুসলমানদের নিশানা করতে চেয়েছিল, কিন্তু তাতে উল্টো হিন্দুরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”

তিনি বলেন, “গবাদি পশু পালনের সঙ্গে জড়িত ৮০ শতাংশ মানুষই অমুসলিম। কোরবানির জন্য মুসলমানদের কাছে ছাগল বা অন্যান্য পশুর বিকল্প রয়েছে। কিন্তু এই খামারিরা প্রতিটি গরুর পেছনে ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার রুপি বিনিয়োগ করেছেন অন্তত ১ লাখ রুপিতে বিক্রির আশায়।”

সিদ্দিকী সরকারকে ১৯৫০ সালের আইনের ১২ ধারা প্রয়োগের আহ্বান জানান। ওই ধারায় রাজ্য সরকার শর্তসাপেক্ষে ‘ধর্মীয় বা চিকিৎসাসংক্রান্ত বা গবেষণার উদ্দেশ্যে’ পশু জবাইয়ের ক্ষেত্রে ছাড় দিতে পারে।

তিনি বলছেন, প্রশাসনিক তত্ত্বাবধানে নির্দিষ্ট এলাকায় ঈদুল আজহার সময় সাময়িক ছাড় দিলে ধর্মীয় অনুশীলন ও গ্রামীণ পশু অর্থনীতি—দুটোই রক্ষা করা সম্ভব হবে।

এই বিধায়ক দাবি করেন, লোকসানের আশঙ্কায় মানসিক চাপে বামুনিয়ার এক খামারি হৃদরোগে মারা গেছেন। দ্য ফেডারেল লিখেছে, তারা ওই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।

গরুর ‘জন্মসনদ’ বিতর্ক

গত সপ্তাহে হিঙ্গলগঞ্জে গবাদি পশুবোঝাই একটি গাড়ি আটকে বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়ক রেখা পাত্র জবাইয়ের যোগ্যতা প্রমাণে গরুর ‘জন্ম সনদ’ বা বার্থ সার্টিফিকেট দাবি করলে বিতর্ক আরও জোরালো হয়।

রেখা পাত্র বলেন, “আমাদের সরকার নির্দেশ দিয়েছে, ১৪ বছরের কম বয়সী গরু জবাইয়ের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। কেউ অবৈধভাবে গরু পরিবহন করলে তাকে আটকাতে হবে এবং গরুর জন্মসনদ দেখতে হবে।”

ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লে ঈদের আগে পশু ব্যবসায়ী ও খামারিদের মধ্যে আতঙ্ক আরও বাড়ে।

বিরোধী দলগুলোও বিষয়টি নিয়ে সমালোচনায় মুখর হয়। তারা অভিযোগ করে, গবাদি পশু পরিবহন ও জবাইয়ের নিয়মের নামে বিজেপি কর্মীরা আইন নিজেদের হাতে তুলে নেওয়াকে উৎসাহিত করছে।

সিপিএম ও অন্যান্য বিরোধী দল অভিযোগ করে, রাজ্য সরকার মুসলমানদের উৎসবের আগে ভীতি ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করছে।

সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মো. সেলিম অভিযোগ করেন, গোরক্ষার নামে ‘অতি-উৎসাহী’ সমর্থকদের গরু বাজেয়াপ্ত করা, পশুর হাটে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং ব্যবসায়ীদের হয়রানির ঘটনা পুরো বাংলাজুড়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, খামারি এবং সংখ্যালঘুদের মধ্যে ভীতি ছড়াচ্ছে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘জোরজবরদস্তি ও ভয়ভীতি’ দেখিয়ে নিয়ম কার্যকরের এই চেষ্টা সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারে। গোরক্ষার নামে বিজেপি সরকার আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার মত পরিস্থিতি তৈরির সুযোগ দিচ্ছে।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে বাড়ছে শঙ্কা

প্রবীণ কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে লেখা এক চিঠিতে বলেছেন, পশু জবাই নিয়ে সরকারের নির্দেশনায় মুর্শিদাবাদের মতো সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলাগুলোতে ‘বিভ্রান্তি, ক্ষোভ এবং উদ্বেগ’ তৈরি হয়েছে।

রাজ্য কংগ্রেসের ভাষ্য, এটি সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় চর্চায় ‘হস্তক্ষেপ’, যা বাংলার ‘সামাজিক সম্প্রীতি ও শান্তি’ বিনষ্ট করতে পারে।

এসইউসিআই (কমিউনিস্ট) সাধারণ সম্পাদক প্রভাস ঘোষ এক বিবৃতিতে বলেন, এই বিধিনিষেধ প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা ধর্মীয় রীতিনীতিকে কার্যত বন্ধ করে দেবে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে আঘাত হানবে।

এদিকে মুসলিম আলেম ও ধর্মীয় নেতারা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের আইনি বাধ্যবাধকতা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রয়োজনে কোরবানির জন্য গরুর বদলে ছাগল বা ভেড়া বেছে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

মানবাধিকার কর্মী কিরীটী রায় বলেন, এই বিতর্ক হিন্দুত্ববাদী গরু রক্ষার রাজনীতি এবং বাংলার স্বতন্ত্র গ্রামীণ অর্থনীতির মধ্যে দ্বন্দ্বকে সামনে এনে দিয়েছে।

তিনি বলেন, “গরুর হাতবদল ও পুনর্ব্যবহার বাংলার দুগ্ধ অর্থনীতিতে গভীরভাবে প্রোথিত। ক্ষুদ্র খামারিদের জন্য বয়স্ক গরু বিক্রি করা অর্থনৈতিক চক্রেরই একটি অংশ, যা সংসারের আয় সচল রাখে এবং নতুন গবাদি পশুতে বিনিয়োগের সুযোগ করে দেয়।

“পুনর্বাসনের কোনো পরিকল্পনা না করে এই কঠোর নিয়ম প্রয়োগের ফলে নিম্নআয়ের সেই গ্রামীণ হিন্দু সম্প্রদায়ই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যাদের বিজেপি দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিকভাবে নিজেদের পক্ষে টানার চেষ্টা করছে।”


সংবাদটি শেয়ার করুন....