ঢাকাসোমবার , ৩১ আগস্ট ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উৎসব
  5. ঐতিহ্য
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চাকরি
  11. জাতীয়
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. ধর্ম
  14. নির্বাচন
  15. পরিবেশ

জর্ডানে মার্কিন সামরিক লক্ষ্যস্থলে ইরানের পাল্টা হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। দ্য স্টার নিউজ
আগস্ট ৩১, ২০২৬ ৬:৩৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

সংবাদটি শেয়ার করুন....

জর্ডানে মার্কিন সামরিক লক্ষ্যস্থলগুলোতে আঘাত হানার দাবি করেছে ইরান। এক মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো ইরানি ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর পাল্টা আঘাত হানা হয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান।

এই পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্য দিয়ে ছয় মাস ধরে চলা যুদ্ধে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ল।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) সোমবার জানিয়েছে, তারা ওয়াশিংটনের মিত্র জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি সামরিক বিমান ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আঘাত হেনেছে আর তাতে ‘ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি’ হয়েছে।

জর্ডানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা আটটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। তবে এসব ক্ষেপণাস্ত্র কোথা থেকে ছোড়া হয়েছে তা উল্লেখ করেনি।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র জানায়, তারা হরমুজ প্রণালিতে ইরানের লারাক দ্বীপে দুটি রকেট লঞ্চারে আঘাত হেনেছে।

ওয়াশিংটনের দাবি, হরমুজ প্রণালিতে মাইন পাতা থেকে ইরানকে বিরত রাখতে তারা এসব হামলা চালিয়েছে।

কয়েকদিন আগেই যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছিল, তারা হরমুজ প্রণালি থেকে ইরানের পাতা সব মাইন অপসারণ করেছে।

রোববার যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক্স এ লিখেছে, “হরমুজ প্রণালিতে আসন্ন হুমকি সৃষ্টি করা আইআরজিসির মাইন পাতা বাহিনীর বিরুদ্ধে মার্কিন বাহিনী সীমিত, সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।”

আইআরজিসি জানিয়েছে, মার্কিন হামলায় ‘হতাহতের’ ঘটনা ঘটেছে আর তারপরই জর্ডানে চালানো তাদের আক্রমণ ‘মার্কিন-জায়নিস্টদের আকাশ হামলার জবাব’।

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থাগুলোর বরাতে পাকিস্তানি গণমাধ্যম ডন জানিয়েছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ ছয় মাসের মাইলফলক পার হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনাগুলো ঘটে।

ইরানের লারাক দ্বীপে হামলার পর মার্কিন বাহিনী ইরানের জ্বালানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপকে ‘গুড়িয়ে দিচ্ছে’ বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্প বলেছেন, “খার্গ দ্বীপকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দেওয়া হচ্ছে!!! প্রেসিডেন্ট ডিজেটি।”

কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট আর বিস্তারিত কিছু জানাননি। হোয়াইট হাউজ ও মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও দাপ্তরিক সময়ের বাইরে রয়টার্সের জনানো মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার চেয়ে ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ’কেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছিল। যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে চলা শান্তি আলোচনায় অচলাবস্থা তৈরি হওয়ার পর ট্রাম্প প্রশাসন ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে পর্যদুস্ত করার প্রচেষ্টা জোরদার করে যাকে তারা ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধে সূচনা করে। তারপর থেকে ইরান কার্যকরভাবে বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে রেখেছে। যুদ্ধ শুরুর আগে এই জলপথ দিয়ে বিশ্বের এক পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানি হতো।


সংবাদটি শেয়ার করুন....